<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?><?xml-stylesheet type="text/xsl" href="/oai-pmh-repository/static/oai2.xsl"?>
<OAI-PMH xmlns="http://www.openarchives.org/OAI/2.0/" xmlns:xsi="http://www.w3.org/2001/XMLSchema-instance" xsi:schemaLocation="http://www.openarchives.org/OAI/2.0/ http://www.openarchives.org/OAI/2.0/OAI-PMH.xsd">
    <responseDate>2026-10-14T06:10:20Z</responseDate>
    <request verb="GetRecord" identifier="oai:data.mendeley.com/9jxp2kd2pp.1" metadataPrefix="oai_dc">https://data.mendeley.com/oai</request>
    <GetRecord>
        <record>
            <header>
                <identifier>oai:data.mendeley.com/9jxp2kd2pp.1</identifier>
                <datestamp>2025-03-17T15:49:36Z</datestamp>
            </header>
            <metadata><oai_dc:dc xsi:schemaLocation="http://www.openarchives.org/OAI/2.0/oai_dc/ http://www.openarchives.org/OAI/2.0/oai_dc.xsd" xmlns:oai_dc="http://www.openarchives.org/OAI/2.0/oai_dc/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:xsi="http://www.w3.org/2001/XMLSchema-instance">
    <dc:creator>Md Siddique Hossain, Md Siddique Hossain</dc:creator>
    <dc:title>নান্দনিক চৈতন্যের রহস্যে মুকুলিত: গোলাম রসুলের কবিতার ভাবতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ</dc:title>
    <dc:publisher>Mendeley Data</dc:publisher>
    <dc:description>সারসংক্ষেপ:  
গোলাম রসুল বাংলা কবিতার এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর, যাঁর রচনা পরাবাস্তবতা, দর্শন এবং মানবিক অনুভূতির সংমিশ্রণে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাঁর কবিতায় গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনের চিত্রকল্প, অবচেতনের স্পন্দন এবং পরাবাস্তবতা এক অনন্য নান্দনিক চৈতন্য তৈরি করে। এই প্রবন্ধে তাঁর কাব্যশৈলীর অন্তর্নিহিত অর্থ, শেকড়সন্ধানী মনন এবং মানবিক উপলব্ধির পর্যালোচনা করা হয়েছে, যা পাঠকের জন্য নতুন ব্যাখ্যার পথ খুলে দিতে পারে।  
সূচক শব্দ: পরাবাস্তবতা (Surrealism), নান্দনিক চৈতন্য (Aesthetic Consciousness), শেকড়সন্ধান (Root Exploration), অবচেতন অনুভূতি (Subconscious Sensation), মানবিকতার দর্শন (Philosophy of Humanism)।
ভূমিকা:  
কবিতা পাঠককে শুধুমাত্র অনুভব করায় না, বরং তাকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। বাংলা কবিতার ইতিহাসে সময়ের পরিক্রমায় নতুন কণ্ঠস্বর উঠে এসেছে, যারা কবিতার রূপ, ভাষা ও আঙ্গিক বদলে দিয়েছে। গোলাম রসুল তেমনই এক কবি, যিনি গতানুগতিকতা ভেঙে দিয়েছেন, কবিতাকে এক নতুন পরিসরে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর কবিতা একাধারে পরাবাস্তব, মানবিক এবং গভীর দার্শনিক উপলব্ধির প্রতিফলন। এই প্রবন্ধে তাঁর কবিতার নান্দনিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যেখানে তিনি কীভাবে চৈতন্যের স্তর ভেদ করে কবিতাকে নতুন পথে চালিত করেছেন, তা আলোচিত হবে।  
•	কবিতায় নান্দনিক চৈতন্য ও পরাবাস্তবতার মেলবন্ধন:  
গোলাম রসুলের কবিতায় নান্দনিক চৈতন্য এক রহস্যময় উপাদানে মুকুলিত হয়। তাঁর কাব্যে অবচেতন মনের দৃশ্যমান অভিব্যক্তি যেমন লক্ষ করা যায়, তেমনি পরাবাস্তবতাও রূপ লাভ করে।  
যেমন তিনি লিখেছেন—  
“বৃষ্টি নামলো। আমরা একসঙ্গে কাঁদতে আরম্ভ করলাম। আমাদের সামনে পৃথিবী ভিজছে।”  
এখানে বাস্তবিক অনুভূতির সঙ্গে পরাবাস্তব ধারণার সংমিশ্রণ ঘটেছে। বৃষ্টির সঙ্গে কান্নার অনুরণন তৈরি করা হয়েছে, যা কেবল প্রকৃতির নয়, মানবিক বোধেরও প্রতীক।  
•	কবিতার শেকড়সন্ধান ও প্রাগৈতিহাসিক চেতনা:  
গোলাম রসুল তাঁর কবিতায় শেকড়ের টান অনুভব করেন, যা তাঁর লেখায় প্রাণের সংমিশ্রণে ফুটে ওঠে। তিনি প্রকৃতি ও প্রাণীর অন্তর্গত অনুভূতি উপলব্ধি করেন, যেমন—  
“বৃষ্টি জঙ্গলের গাছের পাতায় ‘ড্রাম’ বাজায়।”  
এখানে আধুনিক সভ্যতার ‘ড্রাম’ এবং প্রাকৃতিক বৃষ্টিধ্বনির মিলন ঘটানো হয়েছে। এটি এক গভীর শেকড়সন্ধানী চেতনার বহিঃপ্রকাশ।  
•	অবচেতনার বহিঃপ্রকাশ: কবিতার ভাষা ও চিত্রকল্প:  
গোলাম রসুলের কবিতায় এক অনন্য চিত্রকল্প তৈরি হয়, যা অবচেতন মনের জটিল ভাবপ্রবাহের প্রতিফলন। যেমন—  
“আমি অনেক টুকরো মানুষ  
আমাকে ছেড়ে  
ক’গজ দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে আমার সেই বিশ্রী জীবন।”  
এখানে ‘টুকরো মানুষ’ ধারণাটি অস্তিত্বের সংকট এবং আত্মপরিচয়ের সন্ধানকে প্রকাশ করে।  
•	মানবিকতার দর্শন ও সমাজসচেতনতা:  
তাঁর কবিতায় সমাজ, রাজনীতি এবং মানবিকতার গভীর উপস্থিতি দেখা যায়। বাস্তব ও অবাস্তবের সংমিশ্রণে তিনি মানবিক মূল্যবোধের সংকট এবং সভ্যতার টানাপোড়েনকে প্রকাশ করেন। যেমন—  
“ভোরের শিলাখণ্ডের ওপর যুদ্ধক্লান্ত মেঘ  
লাল মোরগ ডাকছে আগুনের ঝুঁটিতে  
সারি সারি খড়ের গাদার মতো মানবিকতার বস্তি।”  
এখানে যুদ্ধ, শোষণ, মানবিকতা—সবকিছুর গভীর ব্যঞ্জনা রয়েছে।  
•	উপসংহার:  
গোলাম রসুলের কবিতা একাধারে পরাবাস্তব, শেকড়সন্ধানী এবং মানবিক বোধে সমৃদ্ধ। তাঁর লেখার নান্দনিক চৈতন্য পাঠকের অনুভূতিকে উজ্জীবিত করে এবং এক নতুন ভাবনার জগতে প্রবেশ করায়। তাঁর কবিতার গভীরতা উপলব্ধি করতে হলে পাঠককে তাঁর চেতনার স্তরগুলোর মধ্যে প্রবেশ করতে হবে। তাঁর কবিতা শুধুমাত্র একক অভিজ্ঞতার নয়, বরং এক সমষ.......

</dc:description>
    <dc:subject>Literature Review</dc:subject>
    <dc:subject>Research Article</dc:subject>
    <dc:type>Dataset</dc:type>
    <dc:identifier>doi:10.17632/9jxp2kd2pp.1</dc:identifier>
    <dc:identifier>oai:data.mendeley.com/9jxp2kd2pp.1</dc:identifier>
    <dc:rights>Creative Commons Attribution 4.0 International</dc:rights>
    <dc:rights>http://creativecommons.org/licenses/by/4.0</dc:rights>
    <dc:relation>https://data.mendeley.com/datasets/9jxp2kd2pp</dc:relation>
    <dc:date>2025-03-17T15:49:36Z</dc:date>
</oai_dc:dc></metadata>
        </record>
    </GetRecord>
</OAI-PMH>
